9568
home,page-template,page-template-full_width,page-template-full_width-php,page,page-id-9568,strata-core-1.0.5,strata-theme-ver-3.1,ajax_fade,page_not_loaded,wpb-js-composer js-comp-ver-6.0.3,vc_responsive

অকটেনের পারফর্মেন্স সাথে সিএনজির মত সাশ্রয়ী একমাত্র জনপ্রিয় ফুয়েল এলপিজি

LPG মূলত CNG এর মত একটি অল্টারনেটিভ ফুয়েল যা অকটেন এর সাথে ডুয়েল ফুয়েল হিসেবে গাড়ীতে ব্যবহার করা যায়

সুবিধা সমূহঃ

1.ক্যালোরিফিক ভ্যালু বেশি থাকায় অকটেন পেট্রোল এর প্রায় সমান মাইলেজ এবং পারফর্মেন্স

2.অকটেনের মত তরল হওয়ায় ইঞ্জিনের কোন ক্ষতি করে না

3.সিলিন্ডারের ওজন প্রায় 40 কেজি কম যাতে গাড়ীতে অতিরিক্ত লোড কমে সাসপেনশন ভালো থাকে

4.LPG মাত্র 1.7-7.5 Bar প্রেশারে স্টোরেজ করা হয় (CNG 200-250 Bar) ফলে বিস্ফোরণের ঝুঁকি কম থাকে

5.ফিলিং ক্যাপাসিটি 80% যেখানে সিএনজির থাকে মাত্র 25% ফলে বার বার ফিলিংয়ের ঝামেলা নেই

6.একবার ফিলিংয়ে আনুমানিক 300-400 কিঃমিঃ পথ চলা

7.অতিরিক্ত হিট উৎপন্ন করে না

8.ইঞ্জিনের ভেতর কার্বন জমে না

9.বায়ু দূষণ কম হয়

10.প্রতি লিটার এলপিজি মাত্র 42 টাকা যা এক ঘনমিটার সিএনজির থেকে বেশি মাইলেজ দেয়

Call us for more- 01743429554

View More

এলপিজিতে রুপান্তরের সুবিধাসমূহঃ

১) গাড়ির ইঞ্জিন অকটেনের মতোই চলবে, সিএনজির মতো ইঞ্জিনের কোন ক্ষতি হয়না।

২) এলপিজি অকটেনের মতোই তরল, একবার ট্যাঙ্ক ভরলে সিএনজি থেকে কমপক্ষে ৪ গুন বেশি কিলোমিটার চালানো যায়।

৩) অকটেনের মতো দিনের যেকোনো সময় পাম্প থেকে এলপিজি ভরা যায়, কোন লাইন নাই। একবার ভরতে মাত্র ২ মিনিট সময় লাগে!

৪) এলপিজি সিলিন্ডারের ওজন অনেক কম, মাত্র ২০-২৫ কেজি। যেখানে সিএনজি সিলিন্ডারের ওজন ৭৫ – ৮০ কেজি। তাই গাড়ির সাস্পেন্সন ও ভাল থাকে।

আপনি কি আপনার গাড়ী এলপিজি কনভার্সন করাতে চাচ্ছেন?
তাহলে আজই আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন এই নাম্বারে : 01743429554

View More

জেনে নিন SUV কি

Sports Utility Vehicle বা সংক্ষেপে SUV।
এটা গাড়ির একধরনের বডি সেগমেন্টের নাম বা গাড়ির বডি ডিজাইন ল্যাংগুয়েজের একটা ক্লাসিফিকেশন।
অন্যান্য গাড়ি থেকে মানুষ একে একটু আলাদা করে চিনে মূলত এর কিছু অফ-রোড বৈশিষ্ট্যের জন্য। যেমন,

* উচু গ্রাউন্ড ক্লারেন্স বা রাস্তার তল থেকে গাড়ির বডি নিচের অংশের মধ্যবর্তী উচ্চ দূরত্ব।
* অব্যশই ফোর-হুইল ড্রইভ অপশন।
* খুব ভাল মানের টায়ার এবং সাসপেনশনের নিশ্চয়তা।
* কমফোর্টের জন্য দরকারি সব ফিচার অব্যশই থাকবে।
* শক্তপোক্ত মেটাল বডি, যেন হালকা আঘাতে যাত্রীর ক্ষতি না হয়।
* বেশ বড়সড় লাগেজ স্পেস।
* সবার শেষে যেটা আমরা সবাই চাই; দেশের টেকনাফ থেকে তেতুলিয়া যে কোন রাস্তায় আরামদায়ক চলার শতভাগ নিশ্চয়তা।

এসব বৈশিষ্ট্যের জন্যই মূলত একে অন্যান্য গাড়ি থেকে আলাদা করে আপনার নজর কাড়ে!
আরও একটা পার্থক্য থাকে সেটা হল, অন্যান্য গাড়ি থেকে SUV এর চেসিস কিছুটা শক্তপোক্ত হয়। তাছাড়া যে কোন রোডে চলার জন্য এর বিশ্বস্ততা, ফোর হুইল ড্রাইভে ইচ্ছেমতো ড্রিফট!
সাথে আরামদায়ক এক ভ্রমণের নিশ্চয়তা।

পৃথিবীতে মোট গাড়ির বড় একটা অংশজুড়ে SUV এর শক্ত অবস্থান। দিনদিন এর জনপ্রিয়তা বাড়ছেই তার স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্যর উপর ভিত্তি করে।
বাংলাদেশেও প্রচুর পরিমাণ SUV বিক্রি হচ্ছে। তাছাড়া দেশের রোড কন্ডিশনের জন্য এটাই পারফেক্ট সেগম্যান্ট ধরা হয়।

ভাবছেন নাকি একটা কেনার জন্য বা পুরোনো সেডান ফেলে একটা SUV নেওয়ার জন্য!

View More

সাদার বদলে গাড়ির টায়ার কালো হওয়ার রহস্য

কখনো কি ভেবে দেখেছেন গাড়ির চাকার রং কালো হয় কেন? চাকা ছাড়া গাড়ির কোনো গতি নেই। যারা গাড়ি ব্যবহার করেন বা যানবাহন সম্পর্কে সচেতন, তারা সবাই জানেন টায়ারের গ্রিপ রাস্তায় দ্রুত গতিতে চলা গাড়িকে পিছলে যাওয়া থেকে রক্ষা করে। গাড়ি তো বিভিন্ন রঙের হয়, তা হলে টায়ার কেন অন্য কোনো রঙের হয় না? ইতিহাস কিন্তু বলছে, টায়ারের রং কিছু ক্ষেত্রে পূর্বে সাদা ছিল। তা হলে হঠাৎ এই রং বদল হল কেন?
সাদার বদলে কালো রঙের ইতিহাস
অতীতে টায়ারের এই সাদা রংকে আভিজাত্যের প্রতীক বলে মনে করা হত। ‘ক্লাসিক’ গাড়ির পরিচয় ছিল এই সাদা টায়ার। পরিষ্কার করার জন্যও তাই নিতে হত বিশেষ সাবধানতা। টায়ার তৈরি হয় রাবার দিয়ে, যার রং হয় হালকা ধূসর। এর সঙ্গে টায়ার মজবুত করতে আগে মেশানো হতো জিঙ্ক অক্সাইড। যার ফলে টায়ার হয়ে যেত সাদা। কিন্তু এখনো তো জিঙ্ক অক্সাইড মেশানো হয়, তা হলে এই বদলের সিদ্ধান্ত কেন হল? তার পিছনে রয়েছে এক গল্প।

টায়ারের এই রং বদলের বিষয়টি প্রথম লক্ষ্য করেন এক সাংবাদিক ডেভিড ট্রেসি। ডেট্রয়েডের ‘ফোর্ড পিকিউ অ্যাভিনিউ প্ল্যান্ট মিউজিয়াম’এ ফোর্ড গাড়ির একটি মডেলে দেখেন সাদা টায়ারের। খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন টায়ার প্রস্তুতকারক সংস্থাগুলো ১৯১৭ সাল থেকে টায়ার প্রস্তুতকরণে কার্বন ব্ল্যাকের ব্যবহার শুরু করেন। কার্বন ব্ল্যাক হল মৌলিক কার্বন যা গ্যাস বা তেলের অসম্পূর্ণ জ্বলনের ফলে সৃষ্টি হয়। এটি টায়ারকে ইউভি রশ্মি থেকে রক্ষা করে, যার ফলে অতিরিক্ত গরমেও টায়ার ফেটে কোনো বিপত্তি ঘটে না। কার্বন ব্ল্যাক ব্যবহারে টায়ারের কর্মক্ষমতাও বৃদ্ধি পায় আগের তুলনায়।

কার্বন ব্ল্যাক যেভাবে কাজ করে

কার্বন ব্ল্যাক হল মৌলিক কার্বন যা গ্যাস বা তেলের অসম্পূর্ণ জ্বলনের ফলে সৃষ্টি হয়। এটি টায়ারকে অতিবেগুনি রশ্মি থেকে রক্ষা করে। যার ফলে অতিরিক্ত গরমেও টায়ার ফেটে বিপত্তি ঘটে না। সংস্থাগুলোর দাবি, আগে যেসব টায়ারে কার্বন ব্ল্যাক ব্যবহার করা হত না, সেগুলেঅ পাঁচ হাজার কিলোমিটার পর্যন্ত ভাল অবস্থায় চলত। কার্বন ব্ল্যাক ব্যবহার শুরু করার পর টায়ারগুলো এখন চলে প্রায় ৫০ হাজার কিলোমিটার।

কার্বন ব্ল্যাক ব্যবহারের কারণ

প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় বুলেট তৈরি করতে প্রয়োজন পড়েছিল প্রচুর পরিমাণে জিঙ্ক ওক্সাইডের। তাই টায়ার প্রস্তুতকারক সংস্থাগুলো এক রকম বাধ্য হয়েই কার্বন ব্ল্যাকের ব্যবহার শুরু করেন। তবে কার্বন ব্ল্যাক ব্যবহারের পিছনে রয়েছে অন্য একটি কারণ। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় বুলেট তৈরি করতে প্রয়োজন পড়েছিল প্রচুর পরিমাণে জিঙ্ক ওক্সাইডের। তাই টায়ার প্রস্তুতকারক সংস্থাগুলেঅ এক রকম বাধ্য হয়েই কার্বন ব্ল্যাকের ব্যবহার শুরু করেন।

এরপর থেকেই কার্বন ব্ল্যাক ব্যবহার করা শুরু হয় টায়ারে। যদিও এখনো কার্বন ব্ল্যাকের সঙ্গে সামান্য পরিমাণ জিঙ্ক ওক্সাইড ব্যবহার করেই টায়ার তৈরি করা হয়। বর্তমানে প্রায় ৭০ শতাংশ কার্বন ব্ল্যাকই টায়ার প্রস্তুত করাতে ব্যবহৃত হয়। টায়ারের উপর পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালানোর ইতি কিন্তু এখানেই শেষ হয়নি। আরো খরচ কমানোর জন্য টায়ার কোম্পানিগুলো কেবল কার্বন ব্ল্যাক ব্যবহার করে নতুন টায়ার তৈরি করেন, যার মাঝখান কালো ও পাশগুলো সাদা রঙের ছিল। এখনো বহু গাড়িতে এই ধরনের টায়ারের ব্যবহার দেখা যায়।

View More